শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বায়েজিদ সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ : আহ্বায়ক শাহিন সদস্য সচিব তুষার। কালের খবর সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন সেনাবাহিনীর। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর
ভ্রাম‌্যমাণ দোকান-হকারের দখলে ফুটওভার ব্রিজ, দুর্ভোগে পথচারীরা । কালের খবর

ভ্রাম‌্যমাণ দোকান-হকারের দখলে ফুটওভার ব্রিজ, দুর্ভোগে পথচারীরা । কালের খবর

রাজধানীর পল্টন, শাহবাগ, ফার্মগেট, বাংলামটর, রায়েরবাগ, শনির আখড়ায় সরেজমিন দেখা যায়, ব্রিজে বসেছে বিভিন্ন পণ্যের দোকান।  মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত এক্সেসরিস, বেল্ট, মানিব্যাগ, ওজন মাপার যন্ত্র, পানির পট, বিভিন্ন ধরনের ব্যাগ, গেঞ্জি, শার্ট, মোজা, ব্রাশ, টেবিল ক্লথ, কানের দুলের দোকান নিয়ে বসেছেন ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা।  ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য হাকডাক দিচ্ছে। এসব দোকানের কারণে পথচারীরা ব্রিজ দিয়ে সহজে হাঁটতে পারছিলেন না।

 পথচারী মাহফুজুল ইসলাম বলেন, ফুটওভার ব্রিজে হকাররা দোকান নিয়ে বসায় ঠিকভাবে হাঁটা যায় না।  স্বাভাবিকভাবে হাঁটা-চলা করতে পারেন না পথচারীরা।  আর ব্রিজে হকার বসে বলে জায়গাও সরু হয়ে যায়।

শাহবাগ হাসপাতাল থেকে মেয়েকে নিয়ে ফুটওভার ব্রিজ পার হচ্ছিলেন শাফিয়া রহমান। তিনি বলেন, ব্রিজে ঠেলাঠেলি করে চলতে হয়। এখানে চারপাশের ফুটপাত সারা বছর হকারদের দখলে থাকে। ব্রিজে উঠলেই অস্বস্তিতে পড়তে হয়।  দিন দিন হকারের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

পল্টনে শফিকুল ইসলাম নামের এক হকার বলেন, ব্রিজে ব্যবসা করতে হলে নিয়মিত টাকা দিতে হয়।  লাইনম্যান এসে প্রতি দোকান থেকে দিনে ২০০ টাকা করে নেন।  ফুটওভার ব্রিজের দোকানদার মো. সাগর বলেন, প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান করি।  পরিবার আছে।  টাকা আয়ের জন্য বসেছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পল্টন থানার এসআই আজাদুর রহমান বলেন, ফুটওভার ব্রিজ হাঁটার জন্য দেওয়া হয়েছে। এখানে কোনো দোকান বসতে দেওয়া হবে না।  দ্রুত তাদের (হকারদের) উচ্ছেদ করা হবে।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com